আজ বাড়ি ফিরছিলাম, তখনই ঘটনাটা হল। মানে এখন লিখছি, এখন ওটা "হয়েছিল" হয়ে গেছে। তখন হচ্ছিল। মানে তখনই হওয়ার ছিল। হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ পারমুটেশন-কম্বিনেশনের ঠিক এই বৈচিত্র্যটাই হওয়ার ছিল। এবং হ্যাঁ, এবারেরটা তোর ভালো না লাগতেও পারে। ঘটনাটা আমার বেশ লেগেছিল। তাই আমি লিখবো সেটাই স্বাভাবিক। তুই লিখলে হয়তো এটা লিখতিস না, বা দেখতিস না, বা দেখেও দেখতিস না। কি জানি। অনেককিছু হতে পারে কিনা।
আমাদের বাড়ি শিয়ালদা। এবার জানি না এই ছেলেমানুষি সবাই করে কিনা, কিন্তু আমরা এখনো দুজন দুজনকে বাড়ির লোকেশন তুলে খোঁটা দিই। ওই তুই বিড়াল না মুই বিড়াল টাইপ তোমার আমার ঝামেলাগুলো। ভাগ্য ভালো, আমরা গোটাগুটি আছি। দুটো ল্যাজের ডগায় পরিণত হইনি। সে ভালো একদিক দিয়ে। আমরা যে যেখানকার, সেখানটাকে তো খুব ঘেন্না করি। কারন একটা বিশাল অসহায় অবস্থা তো আমরা সবাই কাটাই বেশ কিছুকাল ধরে, তাই আমাদের মানুষ হয়ে ওঠার জায়গাগুলো আমাদের বিশেষ পছন্দের হয় না। তাই কি এই পারস্পরিক নিন্দাবাদ? ভেবে দেখিস একবার।
তো যা বলছিলাম, আজ ফিরছি, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে প্যান্ডেল অনেকটা উঁচু হয়ে উঠছে, কাজেই পুজো আসছে পুজো আসছে এরকম গন্ধ ভাসছে, এসব ভেবে ইতিউতি নাক চালিয়েও গন্ধ না পেয়ে বাড়ি ফিরছি।
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পাশেই একটা বাচ্চাদের মাঠ আছে। দোলনা, স্লিপ, ঢেঁকি এইসব আছে তাতে। আর সেটায় কিসব বয়সসীমা হয়ে গেছে। তা সেখানে বাবা-মা-বাচ্চা-বেলুন-আইসক্রিম সব মিলে প্রবল কলরোল হয়। আর তার পাশেই অবধারিত, রাস্তা, এবং ফুটপাথে পলিথিন টাঙ্গিয়ে থাকা কিছু জীব।
একটা মেয়ে, প্রবল মিষ্টি, সেজেগুজে বাবার সাথে, মানে মনে হল বাবার সাথেই, ক্যানো সেটা বুঝবি এক্ষুনি, টলমল করে হাঁটছে। রাস্তাতেই। মানে হয় বাড়ি ফিরছে বা মাঠে যাচ্ছে। সবে হাঁটতে শিখেছে, দেখেই বোঝা যায়।
তার ঠিক পিছনেই ওই একটা জীব, যার বাড়ি রাস্তাতে, সে একটা কাঠের ডাণ্ডায় চাকা লাগিয়ে সেটা নিয়ে খেলছে। মানে ওই আরকি, দৌড়চ্ছে। ছেলেটির, মানে জীবটির ঊর্ধ্বাঙ্গ বর্তমানের নায়কোচিত, মানে টপলেস, এবং নিম্নাঙ্গে একটা প্যান্ট, যার জন্মতারিখ সে নিজেই ভুলে মেরে দিয়েছে।
তো মেয়েটি, জীবটির হাতে খেলনা দেখে দাঁড়িয়ে পড়ল, জীবটা খেলার সাথী পেয়েছে ভেবে ওই চাকাওয়ালা ডাণ্ডাটা এগিয়ে দিলো, এরপর পাটিগণিতের নিয়মে এল বাবার বাবাসুলভ ধাতানি জীবটিকে, এবং মেয়ে হাত বাড়িয়েছে দেখে তাকে টেনে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া।
লিখতাম না। লিখলাম, কারন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দুজন একে অন্যকে চোখের আড়াল হতে দেয়নি।
কি জানি, হঠাৎ ক্যানো প্রিয়াঙ্কা-রিজওয়ানুর নামদুটো মাথায় এলো। প্রিয়াঙ্কাটা বুঝলাম, সামনেই কংগ্রেসের পার্টি অফিস ছিল তাই। অন্য নামটা কিজন্য মাথায় এলো, বুঝলাম না।
বললাম না, পুজোর গন্ধ পাইনি। শব্দে শব্দ ঢাকে, কাজেই গন্ধও ঢাকে গন্ধে।
কাঁচা টাকার গন্ধের সামনে শিউলির গন্ধ আজ অবধি টিঁকেছে কখনও?
আমাদের বাড়ি শিয়ালদা। এবার জানি না এই ছেলেমানুষি সবাই করে কিনা, কিন্তু আমরা এখনো দুজন দুজনকে বাড়ির লোকেশন তুলে খোঁটা দিই। ওই তুই বিড়াল না মুই বিড়াল টাইপ তোমার আমার ঝামেলাগুলো। ভাগ্য ভালো, আমরা গোটাগুটি আছি। দুটো ল্যাজের ডগায় পরিণত হইনি। সে ভালো একদিক দিয়ে। আমরা যে যেখানকার, সেখানটাকে তো খুব ঘেন্না করি। কারন একটা বিশাল অসহায় অবস্থা তো আমরা সবাই কাটাই বেশ কিছুকাল ধরে, তাই আমাদের মানুষ হয়ে ওঠার জায়গাগুলো আমাদের বিশেষ পছন্দের হয় না। তাই কি এই পারস্পরিক নিন্দাবাদ? ভেবে দেখিস একবার।
তো যা বলছিলাম, আজ ফিরছি, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে প্যান্ডেল অনেকটা উঁচু হয়ে উঠছে, কাজেই পুজো আসছে পুজো আসছে এরকম গন্ধ ভাসছে, এসব ভেবে ইতিউতি নাক চালিয়েও গন্ধ না পেয়ে বাড়ি ফিরছি।
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পাশেই একটা বাচ্চাদের মাঠ আছে। দোলনা, স্লিপ, ঢেঁকি এইসব আছে তাতে। আর সেটায় কিসব বয়সসীমা হয়ে গেছে। তা সেখানে বাবা-মা-বাচ্চা-বেলুন-আইসক্রিম সব মিলে প্রবল কলরোল হয়। আর তার পাশেই অবধারিত, রাস্তা, এবং ফুটপাথে পলিথিন টাঙ্গিয়ে থাকা কিছু জীব।
একটা মেয়ে, প্রবল মিষ্টি, সেজেগুজে বাবার সাথে, মানে মনে হল বাবার সাথেই, ক্যানো সেটা বুঝবি এক্ষুনি, টলমল করে হাঁটছে। রাস্তাতেই। মানে হয় বাড়ি ফিরছে বা মাঠে যাচ্ছে। সবে হাঁটতে শিখেছে, দেখেই বোঝা যায়।
তার ঠিক পিছনেই ওই একটা জীব, যার বাড়ি রাস্তাতে, সে একটা কাঠের ডাণ্ডায় চাকা লাগিয়ে সেটা নিয়ে খেলছে। মানে ওই আরকি, দৌড়চ্ছে। ছেলেটির, মানে জীবটির ঊর্ধ্বাঙ্গ বর্তমানের নায়কোচিত, মানে টপলেস, এবং নিম্নাঙ্গে একটা প্যান্ট, যার জন্মতারিখ সে নিজেই ভুলে মেরে দিয়েছে।
তো মেয়েটি, জীবটির হাতে খেলনা দেখে দাঁড়িয়ে পড়ল, জীবটা খেলার সাথী পেয়েছে ভেবে ওই চাকাওয়ালা ডাণ্ডাটা এগিয়ে দিলো, এরপর পাটিগণিতের নিয়মে এল বাবার বাবাসুলভ ধাতানি জীবটিকে, এবং মেয়ে হাত বাড়িয়েছে দেখে তাকে টেনে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া।
লিখতাম না। লিখলাম, কারন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দুজন একে অন্যকে চোখের আড়াল হতে দেয়নি।
কি জানি, হঠাৎ ক্যানো প্রিয়াঙ্কা-রিজওয়ানুর নামদুটো মাথায় এলো। প্রিয়াঙ্কাটা বুঝলাম, সামনেই কংগ্রেসের পার্টি অফিস ছিল তাই। অন্য নামটা কিজন্য মাথায় এলো, বুঝলাম না।
বললাম না, পুজোর গন্ধ পাইনি। শব্দে শব্দ ঢাকে, কাজেই গন্ধও ঢাকে গন্ধে।
কাঁচা টাকার গন্ধের সামনে শিউলির গন্ধ আজ অবধি টিঁকেছে কখনও?